গত ৩ জানুয়ারির শেষরাতের (অর্থাৎ, ৪ জানুয়ারি, ২০১৬ ভোরের ) কাঁপুনি আবারও নাড়া দিল। বেশ
সজোরেই ঝাঁকা দিয়ে শুধু যে ঘুম থেকে তুলে বসালো, তা নয়, পথে টেনে বের করে আনলো। জানান দিয়ে গেলো, কানে কানে নয়, দস্তুরমতো সিংহ-নিনাদে…। যে আমরা সংবেদনশীল, অতি
সংবেদনশীল অঞ্চলে রয়েছি। ভুমিকম্প নিয়ে আতঙ্ক
স্বাভাবিক, যেহেতু এর কোন পূর্বাভাস হয় না, তাই, প্রস্তুতিপনাই (Preparedness)এর একমাত্র সহায়ক। প্রসঙ্গক্রমে, আমাদের সামুহিক সচেতনতা নিশ্চয়ই
ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে। যেহেতু ভুমিকম্প প্রবন এলাকায় আমরা রয়েছি, অতএব, বিশাল উঁচু উঁচু দালান বাড়ির
অনুমতি দেওয়া হয় না ঠিকই, কিন্তু যে সমস্ত দালাল বাড়ি
বানানো হয়, সেগুলোর নির্মাণে কি ভুকম্প
প্রতিরোধী কারিগরি প্রকৌশল প্রয়োগ করা হয়? তেমনটা হলে তো অম্বিকাপট্টির “ওম-এপার্টমেন্ট” এর আজ এ দশা হতো না। আবার এই
ভুমিকম্প প্রবন উত্তর পূর্বাঞ্চলেও তো ‘নদি-বাঁধ’ বানানোর যে তৎপরতা, তা চোখে পড়ার
মতো। এই তো ক’দিন আগেও, ‘নদি-বাঁধ’এর বিরুদ্ধে কথা বললে, তা প্রায় দেশ-দ্রোহিতার
সামিল বলে ধরে নেওয়া হতো।…
বাকি টুকু পড়ুন…
No comments:
Post a Comment