পরিবেশ অর্থে যে শুধু বাস্তুতন্ত্র নিয়েই চিন্তা চর্চায় ব্রত থাকবে, অমন ধারনা করাটা বাস্তব পরিপন্থী,জন সমর্থিতও নয়। ব্যক্তিগত জীবন-লব্ধ প্রজ্ঞা, সমষ্টিগত অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান এর উপর নির্ভর করছে পরিবেশ, তার প্রকৃতি, তার ধর্ম, এবং বহমানতা। পরিবেশের স্বাভাবিক গণ্ডি যেমন প্রদুষন, জন-বিস্ফোরণ, জৈব বৈচিত্র্য ইত্যাদি সালতামানি ছাড়াও আরও অনেক অনেক সোপান রয়েছে, রয়েছে সহস্র ধারা। সূক্ষ্ম এবং সুস্থ বিচার বিবেচনায় সমস্ত ধারাস্রোতই এক বিন্দুতে এসে মিলতে বাধ্য।উপরোক্ত বিষয় যেমন প্রদুষন, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ, জৈব বৈচিত্র্য ইত্যাদি ছাড়াও পরিবেশ অধ্যয়নের অন্যতম আরেকটা মুল্যবান দিক হচ্ছে, মনন বিশ্ব। অনেকে আবার এটাকে ‘মানব-বাস্তুচর্চা’ ও বলেন। এ বিষয়টাই হচ্ছে গোটা মানব প্রজাতি নিয়ে, এবং অতি অবশ্যই বাস্তু-তন্ত্র এবং পরিবেশ রক্ষায় তাদের ভুমিকা নিয়ে। প্রথাগত পরিবেশ-বিষয় নিয়ে পঠনপাঠন না করেও অনেকেই পরিবেশ-প্রেমী হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন, গোটা বিশ্ব জুড়ে এমন ভুরি ভুরি উদাহরন রয়েছে। শিল্পচর্চা করে কেউ পরিবেশবাদী হয়েছেন, কেউ আবার সাহিত্য কিম্বা রসায়ন বিজ্ঞান, অর্থনীতি বা দর্শনশাস্ত্র পড়ে পড়ে, আবার কেউ কেউ রাজনীতির আঙ্গিনা থেকেও সরাসরি পরিবেশ কর্মী।এসব অর্থে পরিবেশ চিন্তা সবার। আপনার, আমার, মুলুক, তালুক, সব জায়গায় বাস করা প্রত্যেকের। সবাই এর ভাগীদার।
কিন্তু, ভাগের মা কি গঙ্গা পায় ? ?
কিন্তু, ভাগের মা কি গঙ্গা পায় ? ?

No comments:
Post a Comment