Sunday, February 28, 2016

Parthankar's Blog:                    ‘এক বৃক্ষ দশ পুত্র সম’প্রাচীন প...

Parthankar's Blog:                    ‘এক বৃক্ষ দশ পুত্র সম’প্রাচীন প...:                    ‘ এক বৃক্ষ দশ পুত্র সম ’ প্রাচীন প্রবাদ বাক্য   মতে ,   একটি   গাছ দশ ’ টি ছেলের সমান ।   দশ পুত্র বলতে   ...
                   ‘এক বৃক্ষ দশ পুত্র সম
প্রাচীন প্রবাদ বাক্য  মতে,  একটি  গাছ দশটি ছেলের সমান  দশ পুত্র বলতে  সম্ভবতঃ তাদের দৈহিক/ কায়িক/ উপার্জন এবং আনুষঙ্গিক যাবতীয় সব সক্ষমতা-কেই বোঝানো হয়েছে; এবং প্রকারান্তরে  এক প্রকারের বৃক্ষ নিধন বিরোধী বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াসও করা হয়েছিল  তার মানে, এটাও স্পষ্ট যে, অতীতে কোন কালে হয়তো বা এক সময় বৃক্ষ নিধন মাত্রাতিরিক্ত ভাবে বেড়ে গিয়েছিল, সম্ভবত, তাই সেই সময়ের সংরক্ষণ বার্তা!
গড়পড়তা হিসেবে, একটি  মোটামোটি বড়সড় গাছ, অক্সিজেন, নির্মল বাতাস, জল চক্র, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি, ভুমিক্ষয় প্রতিরোধ, বন্য জন্তুর বাসস্থান, বিষাক্ত বায়ু পরিশোধন এবং জাতীয় অনেক বাস্তুতান্ত্রিক পরিষেবা দেয়, নগদ অর্থমূল্যে যার পরিমাণ প্রায় ১১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা (আনুমানিক, ১৯,৬২,১৫০ মার্কিন ডলার) অন্যদিকে, গাছটাই যদি কেটে বাজারে বিক্রি করা হয়, তবে গড়ে যে টাকা পাওয়া যায় তা হল আনুমানিক ৩৫,৪০০ টাকা (আনুমানিক, ৫৯০ মার্কিন ডলার) এবার এই ৩৫ হাজার বনাম প্রায় ১২ কোটি, এই দুই আর্থিক মাপদন্ডের মধ্যে আমাদের সমাজ কিন্তু ৩৫ হাজারকেই বেছে নিয়েছে এই বাস্তব কে কি অস্বীকার করা যায়? যুক্তি-তর্কের নিরিখে এটা কি তাই দাঁড়ালো না, যে  আমরা নিজেদের যদি পিতা (অথবা মাতা) বলে ধরে নেই, তবে গাছ আমাদের কাছে পুত্র তুল্য ! আবার গাছ যদি পুত্র সম- হয়, তাহলে পুত্র হত্যা-  নামে কেমন নিষ্ঠুর তাণ্ডব লীলা? এই পৃষ্টপোষকতা  সুসভ্য মনুষ্যকুল আর কতদিন চালিয়ে যাবে

Monday, February 8, 2016

গত ৩ জানুয়ারির শেষরাতের (অর্থাৎ, ৪ জানুয়ারি, ২০১৬ ভোরের ) কাঁপুনি আবারও নাড়া দিল। বেশ সজোরেই ঝাঁকা দিয়ে শুধু যে ঘুম থেকে তুলে বসালো, তা নয়, পথে টেনে বের করে আনলো।  জানান দিয়ে গেলো, কানে কানে নয়, দস্তুরমতো সিংহ-নিনাদে…। যে আমরা সংবেদনশীল, অতি সংবেদনশীল অঞ্চলে রয়েছি।   ভুমিকম্প নিয়ে আতঙ্ক স্বাভাবিক, যেহেতু এর কোন পূর্বাভাস হয় না, তাই, প্রস্তুতিপনাই (Preparedness)এর একমাত্র সহায়ক। প্রসঙ্গক্রমে, আমাদের সামুহিক সচেতনতা নিশ্চয়ই ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে। যেহেতু ভুমিকম্প প্রবন এলাকায় আমরা রয়েছি, অতএব, বিশাল উঁচু উঁচু দালান বাড়ির অনুমতি দেওয়া হয় না ঠিকই, কিন্তু যে সমস্ত দালাল বাড়ি বানানো হয়, সেগুলোর নির্মাণে কি ভুকম্প প্রতিরোধী কারিগরি প্রকৌশল প্রয়োগ করা হয়? তেমনটা হলে তো অম্বিকাপট্টির ওম-এপার্টমেন্টএর আজ এ দশা হতো না। আবার এই ভুমিকম্প প্রবন উত্তর পূর্বাঞ্চলেও তো ‘নদি-বাঁধ’ বানানোর যে তৎপরতা, তা চোখে পড়ার মতো। এই তো ক’দিন আগেও, ‘নদি-বাঁধ’এর বিরুদ্ধে কথা বললে, তা প্রায় দেশ-দ্রোহিতার সামিল বলে ধরে নেওয়া হতো… 
বাকি টুকু পড়ুন…